কিছু
কিছু সময় খুব অদ্ভুত
কিছু কিছু মুহূর্তের কোন ব্যখ্যা নেই।
মুহূর্তগুলো আসতে পারে প্রত্যেক দিনেই।
কিংবা প্রতি মাসে একবার।
তবে বছরে কয়েকবারতো বটেই।
কিছু কিছু মুহূর্তের কোন ব্যখ্যা নেই।
মুহূর্তগুলো আসতে পারে প্রত্যেক দিনেই।
কিংবা প্রতি মাসে একবার।
তবে বছরে কয়েকবারতো বটেই।
এই
মুহূর্তগুলোতে কাউকে আপন করা যায় না।
বন্ধুদের আড্ডায় নিমন্ত্রনকে
মনে হয় উত্যক্ত করার নতুন কৌশল।
এমনকি প্রেমিকার ফোনও যেন
বিরক্তি কমাতে পারে না এতটুকু।
বন্ধুদের আড্ডায় নিমন্ত্রনকে
মনে হয় উত্যক্ত করার নতুন কৌশল।
এমনকি প্রেমিকার ফোনও যেন
বিরক্তি কমাতে পারে না এতটুকু।
সময়টা
যেন নিয়ে আসে বিশাল কোন এক আয়জন।
যে আয়জনে সাজিয়ে রাখা থাকে
জীবনের সমস্ত হতাশার মুহূর্তগুলো।
জীবনের সমস্ত ব্যার্থতাগুলো যেন
সশব্দে তাচ্ছিল্য করতে থাকে।
সেই হাসি দিয়ে তারা জানিয়ে দেয়,
“তুমি একজন অপদার্থ”
যে আয়জনে সাজিয়ে রাখা থাকে
জীবনের সমস্ত হতাশার মুহূর্তগুলো।
জীবনের সমস্ত ব্যার্থতাগুলো যেন
সশব্দে তাচ্ছিল্য করতে থাকে।
সেই হাসি দিয়ে তারা জানিয়ে দেয়,
“তুমি একজন অপদার্থ”
এই পৃথিবীতে বেঁচে থাকাটাই
যখন অর্থহীন হয় নিজের কাছে
তখন কেউ একজন কানের কাছে
কিছু একটা বলে চুপিসারে...
শোনার চেষ্টা করলে বোঝা যায়
সে বলছে, “বাঁচো! তবুও বাঁচো”
কন্ঠস্বরটা পরিচত। খুবই পরিচিত।
অনেক অনেক চেনা এই কথাগুলো।
বহু পুরাতন এইসব কথাগুলো,
তবুও যেন মাঝে সঞ্জীবনী সুধা বিদ্যমান!
আস্তে আস্তে সেই কন্ঠের অধিকারীনির মুখও
ভেসে ওঠে আমার চোখের সামনে।
জন্মের আগে যার ভেতরে বাস করতাম
এটা মুখখানি যে তারই!
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন